সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হে কাওমীর মেধাবী সূর্য সন্তানরা (৩) ইব্রাহীম আজিজি



হে কাওমীর মেধাবী সূর্য সন্তানারা!
তোমরা যেভাবে মসজিদ, মাদ্রাসা, মক্তব, তাবলীগ, পীর, মুরিদি,রাজপথ সহ ইত্যাদি জায়গা গুলোতে তোমাদের অবদান অনস্বীকার্য, ঠিক তেমনি বর্তমান ইন্টারনেট জগতে চাই তোমাদের অগ্রনি ভুমিকা, কিন্তু অন্য সাধারন আট দশজনের মত নেট জগতে ডুকে নিজের অস্তিত্ব বিলিয়ে দিলে চলবে না,
নিজের শান মান ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র কয়েকটি নিজের বা বন্ধু বান্ধবের ছবি পোস্ট করলে চলবেনা, নিজের হাসি তামাশা বা অযথা সময় পার করার জন্য তুমি fb ব্যবহার করবেনা,
সাথে সাথে বেহায়াপনা, নোংরামি গান নাচ ইত্যাদি লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করার থেকে বেচে থাকাটাই তোমার ঈমানি পরীক্ষা।
তাছাড়া যখনই তুমি fb তে ডুকবে তখনই দেখবে
একটা দল তোমার ইতিহাস তোমার ঐতিহ্য নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতেছ, তোমার প্রানপ্রিয় উস্তাদদের নিয়ে বেঙ বিদ্রুপে মগ্ন, তোমার সেরে তাজ যাদের তুমি আকাবের মনে করো, যাদের তুমি তোমার চলার পথের পাথেয় মনে করো,
যাদের জীবন কাহীনি অধ্যায়ন করে তুমি রাতকে রাত অতিবাহিত করো,যাদের জিবন থেকে তোমার সামনের পথ চলার দীক্ষা নিয়েছো,
যাদের ইলেম থেকে নিজের ইলেমের প্রান সঞ্চার করেছো,যাদের ইলেম থেকে পুরো জাতিই উপকৃত হয়েছে, আজ কিছু গাদ্দার কিছু মূর্খরা, কিছু কলেজ ভার্সিটির নব্য জাহেলরা তাঁদের নামে মিথ্যা গুজব রটাচ্ছে।
তাদের আমল নিয়ে জাতিকে বিভ্রান্তি করার অপচেষ্টা করেছে,

প্রিয় বন্ধু শুধু এখানেই শেষ নয়,
আরও দেখবে কিছু নাস্তিক মুরতাদ তোমার জীবনের চাইতে ও প্রিয় নবীকে নিয়ে তারা কটুক্তি করতে দ্বীধা করছে না,
ইসলাম ও মুসলমানদের নিয়ে হোলি খেলায় মেতে উঠেছে, ইসলামের রীতিনীতি ও ইসলামি সাংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তারা সুকৌশলে তার স্বপক্ষে তাঁরা বিভিন্ন খোড়া যুক্তি ও দিতেছে,
যাঁর দরুন কিছু কিছু সরলমনা মুসলিম যুবক তাদের ফাতা ফাঁদে পড়ে নিজের ঈমান ও ইসলাম বিসর্জন দিচ্ছে,

আর এ-ই সব বাতিলের মুখোশ উন্মোচন করে ও তাদের দাঁত ভাংগা জাওয়াব দিয়ে
ইসলামের সৌন্দর্য তাদের সামনে তুলে ধরতে একঝাঁক ঐক্যবদ্ধ তরুণ দরকার,
সেই সাথে কাওমী উলামায়ে কেরাম ও কাওমী ছাত্রদের জ্ঞান গরিমা এবং ইলমের গভীরতা কতটুকু তা পুরো বিশ্ববাসির সামনে তুলে ধরতে হবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অবশেষে উম্মুক্ত হলো মসজি।

শর্তসাপেক্ষে দেশের সব মসজিদ খুলে দেয়া হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে)। আজকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার জোহর থেকে দেশের মসজিদগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে। তবে মসজিদে জামায়াতের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত মানতে হবে। সেগুলো হল- দুইজন মুসল্লির মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এছাড়া দুই কাতার পর এক কাতারের জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। আজকের মধ্যে জারি করা হবে।

কাওমি ছাত্রদের গোপন তথ্য ফাঁস

আরে নিন্দুকেরা শুনে রাখো। কাওমি মাদ্রাসার একজন ছাত্র সে শুরু থেকেই জানে, সে যে লাইনে পড়াশোনা করার জন্য ভর্তি হয়েছে, এই সিলেবাসের পড়া পড়লে সে কোনো ভালো বেতনের চাকরি পাবেনা, সরকারি কোন কাজে এপ্লাই করা তো দুরে থাক বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে ও তার জায়গা হবে না,  তার অবিভাবকের ও ভালো করেই জানা আছে। সাথে এ-ও জানা আছে যে তাকে এই সিলেবাস পড়তে হলে গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে, কোরবানির সময় জন্তুটার চামড়া তার মাথায় উঠবেই, কিছু মানুষের রুপি অমানুষের তিরস্কার এবং অপবাদ তাকে সহ্য করতে হবে। বড় হয়ে তাকে পাঁচ হাজার টাকার বেতনে মসজিদের মাদ্রাসার খেদমত করতে হবে, যাদের মা বাবার বিয়ে টা পড়িয়েছো শরিয়ত মত, ১০ মাসের পর তাদের সন্তান জন্মের পর যার কানে আজান টা সহীহ ভাবে তাকেই দিতে হবে, ৪ বছর পর সেই ছেলেকে মক্তবে তাকেই সহীহ কোরআন শিখাতে হবে, তার শেষ বিদায় মৃত্যুর পর শেষ গোসল ও কাপন থেকে নিয়ে দাপন পর্যন্ত তাকেই করতে হবে, শুধু এখানেই শেষ নয় কয়দিন পরপর কবরের সামনে গিয়ে তাকেই সুরা ফাতেহা পাঠ করতে হবে। এগুলো করার জন্য অন্য কোনো শিক্ষিতরা আসবেনা। আজকে যারা ফেসবুকে কাওমীদের বিরুদ্ধে গলা পাটিয়ে চ...

ফেরেস্তা গ্রামের লোকটাকে কি বললো ?? মাওলানা ইব্রাহীম আজিজি

এক ব্যাক্তি নিজের গ্রাম থেক অন্য গ্রামে গিয়েছিলো। শুধু মাত্র নিজের বন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য। আল্লাহ তায়ালা তার হেফাজতের জন্য একজন ফেরেস্তা নিযুক্ত করে দেন, ঐ ব্যাক্তি যখন নিজের বন্ধুর বাড়ি থেকে ফিরতেছিলো হঠাৎ রাস্তার মাঝে এক ব্যাক্তির সাথে দেখা! সে অপরিচিত ব্যাক্তিটি জিজ্ঞেস করলো তুমি কোথায় গিয়েছিলে? এই ব্যাক্তি উত্তরে বললো আমি অমুক গ্রামে গিয়েছি আমার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য । অপরিচিত ব্যক্তিটি জিজ্ঞেস করলো কেন তোমার উপর তার কি কোনো এহসান দয়া আছে নাকি যার দরুন তুমি সাক্ষাৎ করতে গেলে ? এই ব্যাক্তি বললো না কোনো এহসান বা দয়া নাই একমাত্র শুধু আল্লাহর জন্য তাকে ভালো বাসি এজন্য তার সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছি তখন অপরিচিত ব্যক্তিটি বললো আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ফেরেস্তা তোমার জন্য এই সুসংবাদ নিয়ে এসেছি যে তুমি যেরকম ঐ ব্যাক্তিকে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য ভালোবাসো ঠিক তদ্রূপ আল্লাহ ও তোমাকে সেরকম ভালোবাসেন। (৷ উক্ত ঘটনা বলেছেন) বিশ্ব নবী মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর থেকে আমরা শিখলাম কাউকে ভালোবাসতে হলে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ভালোবাসবো। আর কাউকে ঘৃণা করলে ও আল্লাহর ...