সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কাওমীর মেধাবী সূর্য সন্তানরা।(২) ইব্রাহিম আজিজি



হে কাওমীর মেধাবী সূর্য সন্তানরা
এখনো জাতি তোমাদের থেকে কিছু পাওয়ার আশায় আছে,
তোমাদের অবদান জাতি কোনোদিন ভুলতে পারবে না
এ জাতি তোমাদের ঋন কোনদিন শোধ করতে পারবে না।
কারণ এ জাতির সাথে তোমাদের সম্পর্ক ছিন্ন হবার নয়
এবার আসি মূল কথায়
বর্তমান পৃথিবী ইন্টারনেটের যোগ এই ইন্টারনেট ছাড়া মানুষ এখন চলা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে,
মানুষের এমন কোনো দিক নেই যা মানুষ ইন্টারনেট থেকে উপকৃত হচ্ছে না।
ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল সহ অনেক ব্রাউজার ব্যাবহার করছে মানুষ।
তোমাদের খেদমত মসজিদ মাদ্রাসা মক্তব এবং মানুষের রুহের খোরাক অবশ্যই যোগাচ্ছে।
কিন্তু এই ইন্টারনেট ব্যবহারের যোগে মানুষ অধিকাংশ নিজের কাজের ব্যস্ততায় সময় পার করেছে, নেট জগতে, কিন্তু তাই বলে কি তারা সঠিক ইসলামের দাওয়াত থেকে মাহরুম হবে??
কারণ বর্তমান পৃথিবীতে ১১১ মিলিয়নের বেশি মানুষ গুগল ব্যাবহার করে, এবং প্রায় ১৮৬ কোটির ও বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে।
এই মানুষ গুলোর অধিকাংশই গুগল বিশ্বাসি অর্থাত
তারা যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য গুগলের সহায়তা নেয়।
কিন্তু আপসোসের বিষয় হলো সেখানে হক পন্থীদের ইসলামের খেদমত একেবারে নগন্য বললেই চলে,
যার কারণে অধিকাংশ জেনারেল শিক্ষিত তারা যখন কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য গুগল সহ বিভিন্ন ওয়েব সাইটে চার্স দেয় তখন কিন্তু তারা বিভ্রান্তের স্বীকার হয়।
যার খেসারত তোমাদেরকেই দিতে হয়।
তার বিপরীত যাদেরকে একটা আরবি প্রবন্ধ লিখতে দিলে তার পারবেনা, যারা আহলে হকের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার, যারা ভ্রান্ত আক্বিদায় বিশ্বাসি তাদেরই দখলে আজ ১৮৬ কোটি মানুষের ঈমান
তব হ্যা ইন্টারনেটের ভালো দিক যেমন আছে তেমনই তার খারাপ দিকটা অবশ্যই অনেক বেশি
তাই জাতির আগামীর দ্বীনের কর্ণধারদের প্রতি উদাত্ত আহবান থাকবে, দাওয়াতের নিয়তে ইন্টারনেট জগতে তোমাদের আরও বেশি সোচ্চার হতে হবে, বিভিন্ন ওয়েব সাইটে ইসলামের বিভিন্ন দিক সুন্দর করে দলিল প্রমানের আলোকে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে, তুলে ধরতে হবে ইসলামের সৌন্দর্য, সাথে সাথে বিভিন্ন মাসালা মাসায়েল, বিশেষ করে যে-সব মাসালা নিয়ে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্তির স্বীকার হচ্ছে সে গুলো কোরআন হাদীসের আলোকে স্পষ্ট করে তুলে ধরতে হবে, যা একমাত্র তোমাদের ধারাই সম্ভব,
চলবে........

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অবশেষে উম্মুক্ত হলো মসজি।

শর্তসাপেক্ষে দেশের সব মসজিদ খুলে দেয়া হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে)। আজকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার জোহর থেকে দেশের মসজিদগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে। তবে মসজিদে জামায়াতের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত মানতে হবে। সেগুলো হল- দুইজন মুসল্লির মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এছাড়া দুই কাতার পর এক কাতারের জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। আজকের মধ্যে জারি করা হবে।

কাওমি ছাত্রদের গোপন তথ্য ফাঁস

আরে নিন্দুকেরা শুনে রাখো। কাওমি মাদ্রাসার একজন ছাত্র সে শুরু থেকেই জানে, সে যে লাইনে পড়াশোনা করার জন্য ভর্তি হয়েছে, এই সিলেবাসের পড়া পড়লে সে কোনো ভালো বেতনের চাকরি পাবেনা, সরকারি কোন কাজে এপ্লাই করা তো দুরে থাক বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে ও তার জায়গা হবে না,  তার অবিভাবকের ও ভালো করেই জানা আছে। সাথে এ-ও জানা আছে যে তাকে এই সিলেবাস পড়তে হলে গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে, কোরবানির সময় জন্তুটার চামড়া তার মাথায় উঠবেই, কিছু মানুষের রুপি অমানুষের তিরস্কার এবং অপবাদ তাকে সহ্য করতে হবে। বড় হয়ে তাকে পাঁচ হাজার টাকার বেতনে মসজিদের মাদ্রাসার খেদমত করতে হবে, যাদের মা বাবার বিয়ে টা পড়িয়েছো শরিয়ত মত, ১০ মাসের পর তাদের সন্তান জন্মের পর যার কানে আজান টা সহীহ ভাবে তাকেই দিতে হবে, ৪ বছর পর সেই ছেলেকে মক্তবে তাকেই সহীহ কোরআন শিখাতে হবে, তার শেষ বিদায় মৃত্যুর পর শেষ গোসল ও কাপন থেকে নিয়ে দাপন পর্যন্ত তাকেই করতে হবে, শুধু এখানেই শেষ নয় কয়দিন পরপর কবরের সামনে গিয়ে তাকেই সুরা ফাতেহা পাঠ করতে হবে। এগুলো করার জন্য অন্য কোনো শিক্ষিতরা আসবেনা। আজকে যারা ফেসবুকে কাওমীদের বিরুদ্ধে গলা পাটিয়ে চ...

ফেরেস্তা গ্রামের লোকটাকে কি বললো ?? মাওলানা ইব্রাহীম আজিজি

এক ব্যাক্তি নিজের গ্রাম থেক অন্য গ্রামে গিয়েছিলো। শুধু মাত্র নিজের বন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য। আল্লাহ তায়ালা তার হেফাজতের জন্য একজন ফেরেস্তা নিযুক্ত করে দেন, ঐ ব্যাক্তি যখন নিজের বন্ধুর বাড়ি থেকে ফিরতেছিলো হঠাৎ রাস্তার মাঝে এক ব্যাক্তির সাথে দেখা! সে অপরিচিত ব্যাক্তিটি জিজ্ঞেস করলো তুমি কোথায় গিয়েছিলে? এই ব্যাক্তি উত্তরে বললো আমি অমুক গ্রামে গিয়েছি আমার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য । অপরিচিত ব্যক্তিটি জিজ্ঞেস করলো কেন তোমার উপর তার কি কোনো এহসান দয়া আছে নাকি যার দরুন তুমি সাক্ষাৎ করতে গেলে ? এই ব্যাক্তি বললো না কোনো এহসান বা দয়া নাই একমাত্র শুধু আল্লাহর জন্য তাকে ভালো বাসি এজন্য তার সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছি তখন অপরিচিত ব্যক্তিটি বললো আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ফেরেস্তা তোমার জন্য এই সুসংবাদ নিয়ে এসেছি যে তুমি যেরকম ঐ ব্যাক্তিকে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য ভালোবাসো ঠিক তদ্রূপ আল্লাহ ও তোমাকে সেরকম ভালোবাসেন। (৷ উক্ত ঘটনা বলেছেন) বিশ্ব নবী মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর থেকে আমরা শিখলাম কাউকে ভালোবাসতে হলে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ভালোবাসবো। আর কাউকে ঘৃণা করলে ও আল্লাহর ...